জগন্নাথ মন্দির, দিঘা, পশ্চিমবঙ্গ

HomeUncategorizedজন্মাষ্টমীর বিশেষ রাতে কৃপা পেতে চান? জেনে নিন গোপাল পূজার অলৌকিক শাস্ত্রীয়...

জন্মাষ্টমীর বিশেষ রাতে কৃপা পেতে চান? জেনে নিন গোপাল পূজার অলৌকিক শাস্ত্রীয় নিয়ম

সনাতন শাস্ত্রীয় পুরাণ অনুসারে, ভাদ্র মাসের কৃষ্ণপক্ষের বিশেষ তিথিতে বিশ্বসংসারকে পাপমুক্ত করতে ধরাধামে স্বয়ং ভগবান শ্রীবিষ্ণু শ্রীকৃষ্ণ রূপে আবির্ভূত হয়েছিলেন। ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, শুক্রবার পরম পবিত্র এই জন্মাষ্টমী ব্রত অনুষ্ঠিত হচ্ছে। সনাতন ধর্মাবলম্বী ও সকল কৃষ্ণপ্রেমীদের কাছে এই তিথির মাহাত্ম্য অপরিসীম। বিশেষ করে যাদের বাসগৃহে গোপাল বা লড্ডু বিগ্রহ রয়েছে, তাদের কাছে এই দিনটি নতুন আনন্দের বার্তা নিয়ে আসে।

প্রচলিত ধর্মীয় বিশ্বাস অনুযায়ী, গভীর রাতে শ্রীকৃষ্ণের জন্ম সংঘটিত হয়েছিল। তাই জন্মাষ্টমীর নিশিরাত্রিকে অত্যন্ত শক্তিশালী ও অলৌকিক সময় মনে করা হয়। শাস্ত্র মতে, এই রাতে গোপালের বিশেষ সেবা ও কিছু সিদ্ধ টোটকা পালন করলে পরিবারে শ্রী ও সুখ-সমৃদ্ধি চিরস্থায়ী হয়।

  • পবিত্র দ্রব্যে বিগ্রহের অভিষেক: মধ্যরাতে গোপালকে নিদ্রায় পাঠাবার পূর্বে গঙ্গাজল, পঞ্চামৃত (দুধ, দই, ঘৃত, মধু ও শর্করা) এবং বিশুদ্ধ কাঁচা দুধ সহযোগে ভক্তিভরে বিগ্রহের অভিষেক করান।
  • প্রসাদ বা ভোগ নিবেদন: অভিষেকের পর গোপালকে খালি পেটে শয়ন করানো চরম অমঙ্গলজনক। পূজাশেষে তাঁকে মাখন ও মিছরির ভোগ নিবেদন করুন। মনে রাখবেন, ভগবান শ্রীকৃষ্ণের যেকোনো নৈবেদ্যে তুলসী পাতা দেওয়া বাধ্যতামূলক।
  • তুলসী মালায় নাম জপ: মধ্যরাতের পুণ্যলগ্নে তুলসী কাঠের মালায় শ্রীকৃষ্ণের ‘হরে কৃষ্ণ’ মহামন্ত্র বা যেকোনো প্রিয় নাম জপ করুন। শাস্ত্র মতে, এতে মানসিক শান্তি অর্জনের পাশাপাশি সংসারে সব দুঃখ-কষ্ট দূরীভূত হয়।

আরও

আরও পড়ুন